মুরগি সম্পর্কে কিছু মজার তথ্যঃ
ক. মুরগি খুবই বুদ্ধিমান একটি প্রাণী। আপনি এদেরকে কিছু শেখাতে চাইলে এরা একটি কুকুরের তুলনায় দ্রুত শেখার ক্ষমতা রাখে।
খ. মানব মস্তিষ্ক এবং দৃষ্টি শক্তি দুটোই মুরগির চেয়ে বেশ ধীর গতির। মুরগি এক সেকেন্ডে প্রায় এক হাজারটি ছবির মধ্যে পার্থক্য ধরতে পারে।
গ. মুরগি আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি (UV-ray) দেখতে পায়। যা আমরা মানুষরা দেখতে পাই না। তাই কোনো বস্তু আমারা যেভাবে দেখি, যে রঙ্গে দেখি, মুরগি সেভাবে দেখে না।
ঘ. মুরগি নিজের চোখ ৩১০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘোরাতে পারে।
ঙ. এরা নিজেদের দুই চোখ দুটি কাজের জন্য ব্যবহার করে। বাম চোখে এরা দূরের জিনিস দেখে, আর ডানচোখে দেখে কাছের। অর্থাৎ, একটা মুরগি যখন মাটিতে ঠুকে ঠুকে খাবার খাচ্ছে তখন তার বাম চোখ দূরে কোনো শিকারি আছে কিনা সেটার পর্যবেক্ষণে লিপ্ত; আর ডান চোখ ব্যস্ত খাবার খোঁজার কাজে।
চ. মুরগির লেজের অংশে একটি তেলের গ্রন্থি থাকে। নিজের পালককে ‘ওয়াটার প্রুফ’ করার জন্য মুরগি ওই তেল ব্যবহার করে।
কখনো কখনো তেল আঠা আঠা হয়ে যায়। যা পালকের সৌন্দর্য বর্ধন ও পানি নিরোধক কাজ ব্যাহত করে। তখন মুরগি একটি মজার কাজ করে। আমরা অনেকেই মুরগির এই আচরণের সাথে পরিচিত। এটাকে বলে ডাস্ট ব্যাথিং ( বালি দিয়ে গোসল করা)। মুরগির স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য ‘ডাস্ট ব্যাথিং’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।



